খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমার যে গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঘটনাটি হচ্ছে আপনাদের একটি নামের সাথে মনে হয় আপনারা সবাই না হলেও বেশ কিছু মানুষ পরিচিত আছেন। ফাতেমা নামে একটি নাম। এই মেয়েটি আমার আম্মার সাথে জেলেও ছিলেন। যেহেতু আম্মা অসুস্থ ছিলেন। ও অনেকদিন অনেক বছর ধরে আছে। আমাদের পরিবারের একজন সদস্য হয়ে গিয়েছে সে।তো এখন দুদিন আগে তার এক আত্মীয় ওর বাড়ি বরিশালের দিকে তো দুদিন আগে তার এক আত্মীয় আমরা এখানে প্রসুতি মায়ের কথা বলেছি তার এক আত্মীয় তার এরকম কমপ্লিকেসি দেখা দেয় দেখা দেবার পরে হাসপাতালে নেওয়া হলো হাসপাতালে নেওয়ার সাথে সাথে বরিশাল হাসপাতালে নেওয়া হলো বরিশাল হাসপাতালে নেওয়ার সাথে সাথে তারা বলল বিভিন্ন রকম কমপ্লিকেসি ওখানে ইনকিউবেটর মধ্যে আপনি পাঠিয়েছেন একনমিশন তো নেই তাকে সাথে সাথে ঢাকায় রেফার করা হচ্ছে।

 কিন্তু আমি যতটুকু শুনছি আমি তো আর ডাক্তার না বাট আমি যতটুকু বাসায় যাবার পরে আমার স্ত্রীর কাছে শুনলাম যে সামান্য বেসিক জিনিসটা ওখানে দেওয়া সম্ভব হয়নি বা দিচ্ছে না। ঢাকায় সাথে সাথে পাঠিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু ফাতেমা স্বাভাবিকভাবে আমার ওয়াইফকে বলেছে উনিও দুই একজনের সাথে কথা বলেছেন। সেইজন্য ফাতেমা সেই আত্মীয় খুব স্বাভাবিকভাবে বেটার চিকিৎসা পেয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্রশ্নটি যেটা সেটা হচ্ছে সবাই তো ফাতেমা না বা সবাই ফাতেমার আত্মীয় না। ফাতেমার আত্মীয় হয়তো সে যেহেতু ফাতেমা ছিল সেইজন্য আমার স্ত্রী ঘটনাটি জানতে পেরেছে। স্বাভাবিকভাবে উনি টেক কেয়ার করেছেন। তার আত্মীয়টা বাচ্চাটা হয়েছে বাট অসুস্থ তারপরেও মোটামুটিভাবে ম্যানেজ করা গিয়েছে ঢাকায় আর আনতে হয়নি খুব সম্ভবত যতটুকুই জানি আর সামহাও মিনিস্টার সাহেবও জানার পরে উনিও কিছুটা ইন্টারফেয়ার করেছেন। ফলে এখান থেকে সাথে সাথে একটা মেশিন বোধহয় ছিল না। মেশিনটা বোধহয় পাঠানো হয়েছে। ফলে ওর আত্মীয়র
 বদৌলতে অনেকগুলা শিশু এখন সেই সুবিধাটা পাবে। অনেকগুলা শিশু সেই কষ্ট থেকে বা সেই সমস্যা থেকে সেই বিপদ থেকে বেঁচে যাবে। কিন্তু যেই কথাটি আমি বলতে চাইছি ওখানে যারা দায়িত্বরত ছিলেন তারা যদি আরেকটু
যত্নশীল হতেন তারা যদি আরেকটু কেয়ারফুল হতেন তাহলে হয়তো অনেকগুলো সমস্যাকে এড়ানো যেত। সব না হলে অনেকগুলো সমস্যাকে
এড়ানো যেত। আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে এই দেশের একজন নাগরিক হিসাবে আমাদেরকে সাহায্য করুন। সরকারকে সাহায্য করুন। যেন আমরা কাউকে ফাতেমার আত্মীয় হওয়ার প্রয়োজন হবে না। যেকোন মানুষ যাতে মিনিমাম হলেও চিকিৎসা সুবিধাটি দিতে পারেন। আর আপনাদের যে সমস্যাগুলো আছে আপনাদের কাজ করতে গিয়ে যে সমস্যাগুলো আছে আপনারা এখানে উল্লেখ করেছেন। সেই সমস্যাগুলো একবারে আমাদের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব না। এটি আপনারাও বুঝতে পারেন। তবে প্রথম যেই সমস্যাটির আপনারা কথা বলেছেন নিরাপত্তা আপনাদের একটি বিষয় এসে যেটি প্রথমে আপনারা হাততালি দিয়েছেন। যেটিতে প্রথমেই আপনারা হাততালিয়ে দিয়েছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম যে ওটাতে আপনারা হাততালি দেন। খুব সময় তিন নম্বর পয়েন্ট ছিল বোধয় ওটা। এই তিন নম্বর পয়েন্টটি এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহেব আছেন। উনার সাথে আমি আজ না হয় কালকেই স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে এবং সেক্রেটারি সাহেবকে নিয়ে ইমিডিয়েটলি আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহেবের সাথে বিষয়টি আলাপ করব।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ