ভারতের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ দহগ্রাম আঙ্গরপোতা ছিটমহল

ভারতের ভেতরে এক টুকরো বাংলাদেশ দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা। চারদিকে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঘেরা এই জনপদে বসবাস করেন হাজারো বাংলাদেশি নাগরিক। একসময় এখানে জীবন মানেই ছিল বন্দিত্ব নিজ দেশের সাথে সরাসরি যোগাযোগ ছিল না, চলাচল ছিল সীমাবদ্ধ, আর প্রতিটি দিন ছিল অনিশ্চয়তায় ভরা। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন আসে তিন বিঘা করিডোর চালুর মাধ্যমে। এই করিডোরই এখন দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার মানুষের একমাত্র ভরসা যার মাধ্যমে তারা মূল ভূখণ্ড বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত।

 এই যে আমাদের বাংলাদেশের অটোগুলো যাচ্ছে ভারতের সেই তিন বিঘা জমি দিয়ে তিন বিঘা করিডর দিয়ে। আর ওদিক দিয়েই হচ্ছে আবার ভারতের বাসগুলো চলছে। এখানে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে একদম ঘেরাও করা। অর্থাৎ এখান থেকেই ভারত শুরু। কিন্তু সেই দহগ্রাম আঙ্গুর পোতাতে কিভাবে যাব? সব হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ ভারতে তিন বিঘা জমি পেরিয়ে তারপর হচ্ছে আবার সেই দহগ্রাম আঙ্গুর পপুতাতে যাচ্ছে। আমার সামনে হচ্ছে বর্ডার পিলার। আর পিলার ঘেসেই এই যে মসজিদ। ভারতের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ দহগ্রাম আঙ্গুরপোতা যার চারপাশে ভারতীয় ভূখণ্ড আর ভেতরে বসবাস করেন বাংলাদেশী জনগণ সেখানে যাওয়ার মতন নেই কোন পথ সেখানে পৌঁছাতে হলে যেতে হয় ভারতীয় ভূখণ্ড দিয়ে একটা সময় এখানে বসবাস করা মানেই ছিল এক ধরনের বন্দি জীবন নিজ দেশের সাথে সরাসরি যোগাযোগ হীন তবে বর্তমানে সেখানে যাওয়ার জন্য রয়েছে তিন বিঘা করিডর তিন বিঘা করিডর টি ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত। এই পথ ব্যবহার করে দহগ্রাম আঙ্গুরপোতার মানুষ বাংলাদেশে যাতায়াত করেন। বন্ধুরা আজকের এই ভিডিওতে আমরা জানবো তিন বিঘা করিডর ও দহগ্রাম আঙ্গুরপোতার অজানা ইতিহাস। পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই ভারতের ভূখণ্ড পেরিয়ে চলুন। আজকে আমরা যাত্রা করি সেই বিচ্ছিন্ন জনপথ দহগ্রাম আঙ্গুরপোতার পথে। আমাদের যাত্রা শুরু হয় পাটগ্রাম থেকে। বাংলাদেশের লালমনিহাট জেলার পাটগ্রাম থেকে শুভ সকাল। তো আমি গতকাল এই পাটগ্রামে এসেছিলাম। আর সেই পাঁচ বছর আগে আমি এই লাল পাটগ্রামের তিন বিঘা করিডর দহগ্রাম আঙ্গুর পোতাতে গিয়েছিলাম। তো যেহেতু পাটগ্রামে এসেছি তাই ভাবলাম আবারো সেই তিন বিঘা করিডর যাই বা দহগ্রাম আঙ্গুরপোতায় যাই। এখন কি অবস্থা আছে? সে অনেক আগে গিয়েছিলাম। তো যাই হোক আজকে এই পাটগ্রাম থেকে যাব। সেই তিন বিঘা করিডর। একদম সাত সকাল বেরিয়ে পড়েছি। অনেক অটো অলরেডি রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে। একটি অটো রিকক্সা নিয়ে আমরা সেই দহগ্রাম আঙ্গুরপতার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। এখানে অনেক আপনি অটো পেয়ে যাবেন, রিক্সা পেয়ে যাবেন, ভ্যান পেয়ে যাবেন। তো তাদের সাথে দাম ঠিক করে বা দাম মিটিয়ে তারপর হচ্ছে যাবেন। আপডাউনও নিতে পারেন বা আপনি যেভাবে খুশি সেভাবে নিতে পারেন। পাটগ্রাম থেকে তিন বিঘা করিডরের দূরত্ব প্রায়ন কিলোমিটার। পথ জুড়ে চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ জমি। হাজার হাজার বিঘা জুড়ে তামাকের চাষ। রংপুর, নীলফামারি আর লালমনিরহাট অঞ্চল বহু আগে থেকেই তামাক চাষের জন্য পরিচিত। তাই এখানকার কৃষকেরা অন্যান্য ফসলের তুলনায় তামাক চাষেই বেশি আগ্রহী। আসলে একেক জায়গার মাটি একেক ফসল চাষের জন্য মানে উপযোগী হয়ে ওঠে। যেমন নীলফামারিতে আগে সেই ব্রিটিশরা নীল চাষ করতো। আর লালমনিরহাটের সেই কাল থেকেই তামাক চাষ করা হয়। আপনাদের ওদিকে কিন্তু তামাক চাষ কি এটা অনেকে জানেই না। কিন্তু এখানে সেই কাল থেকেই তামাকের চাষ করা হয়। আমাদের এই যে অটোয়ালা ভাই হচ্ছে এক বিঘা জমি তামাক চাষ করেছে। মনে করেন যে 9000 টাকা মন আছে। এই তামাক? হ্যা তামাক সামনে। এইজন্য এবার তামাক মনে করেন যে সবাই লাগাইছে আরো বেশি। 
 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ