দেশের সর্বোচ্চ বিন্দু ‘সাকা হাফং সীমান্তের কিছু অংশ মায়ানমারের দখলে

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া হিসেবে পরিচিত সাকাহাফং, যাকে অনেকে মদক তুং নামেও চেনেন। বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত এই চূড়ার উচ্চতা প্রায় হাজার ৫২ মিটার বা হাজার ৪৫১ ফুট।


 

তবে সম্প্রতি এই পর্বতচূড়াকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কারণ বাংলাদেশের জরিপ-এর সরকারি মানচিত্রে "সাকা হাফং" সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে দেখানো হলেও, গুগল ম্যাপ লক্ষ্য করা যায় "সাফা হাফং"পর্বতের বেশ কিছু অংশ মায়ানমারের দখলে।এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তিআসলে সাকাহাফং কার ভূখণ্ডে?

স্থানীয় ভ্রমণপ্রেমীরা বলছেন, বহু বছর ধরেই সাকাহাফংকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং দেশের অভিযাত্রীরা প্রশাসনিক অনুমতি নিয়েই সেখানে ট্রেকিং করে থাকেন।কিন্তু ট্রেকিং এর সময় মানচিত্র সার্চ করতে গিয়ে উক্ত ব্যপারটি তাদের নজরে আসে এবং পরবর্তীতে তারা আমার দেশকে বিষয়টি অবগত করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল ম্যাপিং প্ল্যাটফর্মগুলো অনেক সময় স্যাটেলাইট ডাটা, পুরনো সীমান্তরেখা বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে মানচিত্র প্রদর্শন করে থাকে। ফলে বাস্তব সীমান্তরেখার সঙ্গে অনলাইন ম্যাপের পার্থক্য দেখা দিতে পারে।

বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত বাংলাদেশের সরকারি মানচিত্র সীমান্ততথ্য যাচাই করে গুগল ম্যাপের তথ্য হালনাগাদ করা, যাতে করে ভবিষ্যতে ধরনের বিভ্রান্তি না থাকে।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গকে ঘিরে এই মানচিত্র বিভ্রান্তি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দেশের সর্বোচ্চ বিন্দুসাকা হাফং সীমান্তের কিছু অংশ মায়ানমারের দখলে

 

প্রশ্ন এখন একটাইডিজিটাল মানচিত্রের ভুল, নাকি "সাকা হাফং" মিয়ানমারের দখলে?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ